০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
স্বাস্থ্য

হোমিওপ্যাথি নিয়ে ষড়যন্ত্রের শেষ কোথায়

১৯ অগাস্ট, ২০২৫

মোঃ শাহরিয়ার,
লোহাগাড়া উপজেলা (চট্রগ্রাম) প্রতিনিধি

ছবি: বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল

বাংলাদেশে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে হোমিওপ্যাথি সহজলভ্য ও জনপ্রিয় একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা ব্রিটিশ শাসনামলে ইউরোপ থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে আসে। সহজলভ্যতা ও কার্যকারিতার কারণে এ অঞ্চলের অধিবাসীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ায় ধীরে ধীরে এর প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে। ১৯৭২ সালে স্বাধীন দেশে তৎকালীন সরকার “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড” গঠন করে।

বোর্ডের অধীনে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, শিক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়াদি পরিচালিত হয়ে আসছিল। এমতাবস্থায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জনপ্রিয়তা ও কার্যকারিতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই চিকিৎসা পদ্ধতির নিয়ন্ত্রণ, কলেজ নিবন্ধন, শিক্ষক নিয়োগ, কলেজ পরিচালনা, চিকিৎসক নিবন্ধন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, হোমিওপ্যাথি সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নসহ যাবতীয় কার্যাবলী পরিচালনার নিমিত্তে ১৯৮৩ সালে “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক প্র্যাকটিশনার্স অর্ডিন্যান্স” আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকেরা নামের পূর্বে ‘ডা.’ লেখার আইনানুগ স্বীকৃতি পায়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কার্যকর হওয়ায় জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩ মহান জাতীয় সংসদে পাশ হয়ে গেজেট প্রকাশ হয়। এই আইনের আলোকে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড প্রতিস্থাপিত হয়ে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল গঠিত হয়। অত্র আইনে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নামের পূর্বে ডাক্তার লেখার আইনগত বৈধতা রয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে প্রণীত হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত আইন এবং অন্যান্য মেডিকেল কাউন্সিলের আইন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়াদি, আইন ও নিয়ন্ত্রণ সবকিছুই স্বতন্ত্র এবং অন্য কোনো কাউন্সিলের অধীনে নয়। হোমিওপ্যাথি সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ কেবলমাত্র বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কাউন্সিল সংরক্ষণ করে। বিএমডিসির হস্তক্ষেপ বৈধ নয়; বরং এটি নির্লজ্জতা, বেহায়াপনা এবং হীনমন্যতার বহিঃপ্রকাশ। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

ডা. প্রিন্সিপাল (এক্স) মুন্সী মোজাম্মেল হক
সভাপতি
বৈষম্য বিরোধী হোমিও আন্দোলন বাংলাদেশ

Related Article