০২ অগাস্ট ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
সারাদেশ

​দৌলতপুরে নদীভাঙন তীব্র: ভিটেমাটি হারিয়ে দিশেহারা বহু পরিবার, হুমকির মুখে স্থাপনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা

০১ অগাস্ট, ২০২৬

মোঃ সোহেল রানা,
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

ছবি: ​দৌলতপুরে নদীভাঙন তীব্র

​দৌলতপুরে নদীভাঙন তীব্র: ভিটেমাটি হারিয়ে দিশেহারা বহু পরিবার, হুমকির মুখে স্থাপনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা

​মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে রূপ নিয়েছে এক প্রলয়ংকরী নদীভাঙন। উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামে যমুনা নদীগর্ভে একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। নদীপাড়ের নদীকবলিত মানুষগুলোর এখন রাত কাটছে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগে।
শেষ সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

​গত কয়েকদিনের আকস্মিক ভাঙনে বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামের অন্তত ১০ থেকে ১২টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। বাপ-দাদার স্মৃতিবিজড়িত ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
​ভিটেমাটি হারিয়ে অশ্রুসজল চোখে ক্ষতিগ্রস্ত মোকছেদ আলী ও ইসলাম উদ্দিন বলেন,
​"নদীর পেটে সব শেষ হয়ে গেছে, আমরা পুরোপুরি দিশেহারা। চোখের সামনে বাপ-দাদার শেষ স্মৃতিটুকু রক্ষা করতে পারলাম না। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব, কী করব—কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আমাদের মতো আর কেউ যেন এভাবে গৃহহীন না হয়, তার জন্য মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য জিন্নাহ কবির ভাইয়ের কাছে আমরা বিনীত ও জোর আকুতি জানাচ্ছি।"
​হুমকির মুখে ২০০ পরিবার ও শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান
​স্থানীয় অধিবাসী আহাম্মদ আলী  ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ না করা হলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বড় লাউতারা ও ছনপাড়ার প্রায় ২০০টি পরিবার সম্পূর্ণ গৃহহীন হয়ে পড়বে। এছাড়া গ্রামের একমাত্র প্রধান সংযোগ সড়ক, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এবিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম বলেন মাএ ৫০০ ফুট জায়গা জিও ব্যাগ ফেলা হলে ২০০ পরিবার নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।

​জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর আকুল আবেদন
​জিয়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আতোয়ার রহমান জানান, নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জোর দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ সদস্যকে সার্বিক বিষয় অবহিত করা হয়েছে।
​এখন নদীপাড়ের হাজারো মানুষের একটাই দাবি—সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপে যেন রক্ষা পায় অবশিষ্ট ভিটেমাটি ও গ্রামীণ সম্পদ।

Related Article
comment
মোঃ মনির হোসেন বকাউল
29-Sep-23 | 10:09

Good news

মোঃ মনির হোসেন বকাউল
10-Dec-23 | 04:12

Good