১৪ মে ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
সারাদেশ

ছাতকে আবারও মরা চেলা নদী থেকে বালি উত্তোলন !

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সাকির আমিন,
সুনামগঞ্জ জেলা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

ছবি: ছাতকে আবারও মরা চেলা নদী থেকে বালি উত্তোলন মানছেনা আইন কানুন।

ছাতকে আবারও  মরা চেলা নদী থেকে  বালি উত্তোলন!, মানছেনা আইন কানুন।
ছাতক সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের  মরা চেলা নদী থেকে আবারও বালি উত্তোলন। বালি খেকোরা মানছেন না কোনো ধরনের আইন কানুন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা বালি সহ নৌকা ও ড্রেজার আটক করলেও বার বার বালি লুট করে নিচ্ছে কতিপয় অবৈধ বালি ব্যবসায়ীরা। 

এ নদীর কাটুমারা এলাকায়  কতিপয় বালি খেকো ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন সন্ধ্যা হতে ভোর পর্যন্ত অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন ও বালতি দিয়ে বালি উত্তোলন করায় হুমকির মুখে রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতাধীন ছাতক হতে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত স্থাপন কৃত পাথর বহনকারী রোপওয়ে লাইন।

এঙ্গেল টু নামক স্থানে রোপওয়ে লাইনের নিচ থেকে বালি উত্তোলন করায় রুপ ওয়ের ট্রেসেল বা টাওয়ারের নিচের অংশে মাটি বা বালি না থাকায় টাওয়ার গুলি হেলে পড়ে অরক্ষিত ভাবে পড়ে আছে। এরপরও বালি খেকোরা ইজারা বহির্ভুত এ যায়গা থেকে বালি উত্তোলন বন্ধ করছেনা।

এলাকাটিকে দিঘিতে পরিনত করে ফেলেছে।

এ ছাড়া মরা চেলা নদীর তীরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ভূমিহীন দের সরকারি ঘরে কয়েকটি পরিবার বসবাস করলেও তাদের ঘরের পাশ থেকে বালি উত্তোলন করায় তাঁরাও আতঙ্কের মধ্যে পরিবারের লোকজন দের নিয়ে হুমকির মধ্যে রয়েছেন।

প্রভাবশালী বালি ব্যবসায়ীদের ভয়ে কেউ মূখ খুলে কথা বলতে না পারলেও সম্প্রতি এলাকা বাসী ঐক্য বদ্ধ হয়ে কয়েক বার প্রতিবাদ করলেও প্রশাসন কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এছাড়া এখানে সরকারি সংরক্ষিত  বনাঞ্চলের বন সাবাড় করে বালি উত্তোলন করছে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন কারিরা। মঙ্গলবার ভোর রাতে বালি উত্তোলন কালে এলাকা বাসীর তাড়া খেয়ে পালিয়ে যায় অবৈধভাবে বালি উত্তোলন কারিরা।

এখানে সন্ধ্যা হতে ভোর রাত পর্যন্ত বালি উত্তোলনের ফলে ড্রেজার মেশিনের শব্দ দূষণের কারণে কাটুমারা, ময়না দ্বীপ,মুজিব নগর ভূমি হীনদের ঘর,সিপাহি টিলা, মৌলভীর গাও,পাথারী পুর ও রহমত পুর গ্রামের মানুষ বয়স্ক ও শিশুদের নিয়ে নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না।

এসব গ্রামের লোকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।স্থানীয়রা জানান এখান থেকে বালি উত্তোলন করে কয়েক কোটি টাকার বালি  প্রতিদিন জাহাজ ও বাল্কহেড স্টিল নৌকা বুঝাই করে বিক্রি করলেও সরকার কোন ধরনের রাজস্ব পাচ্ছে না।

প্রভাব সালী ব্যবসায়ী বালি খেকোরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর করে ফেলায় টিলা রকম ভূমি এখন দিঘিতে পরিনত করে ফেলেছে। গাছ পালা কেটে সাবাড় করে চুরি করে বিক্রি করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে অবৈধ বালি ব্যবসায়ীরা। অবৈধ বালি ব্যবসায়ীদের  বালি উত্তোলনের ফলে এলাকার মানচিত্র পাল্টে গেছে। 

ছাতক বন বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আইয়ুব খান জানান আমি শিঘ্রই উপস্থিত হয়ে ব্যবস্থা নেব। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান আমরা প্রতিনিয়ত এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।নৌ- পুলিশকে বলেদিব এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

Related Article
comment
মোঃ মনির হোসেন বকাউল
29-Sep-23 | 10:09

Good news

মোঃ মনির হোসেন বকাউল
10-Dec-23 | 04:12

Good