১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
ছবি:
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। একটি সুন্দর পৃথিবী সকলের কাম্য। কিন্তু এই পৃথিবীতে যেমন মানুষের অর্থবিত্তের অভাব নেই । তেমনি দু:খী অসহায় মানুষের সংখ্যাও কম নয়। কথা বলছি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাছগাছী ইউনিয়নের নওয়াবশ গ্রামের বাসিন্দা আজিরন নেছার।
প্রচন্ড শীত আর কালো বৈশাখী ঝড় যাই আসুক না কেন জীর্ণ ভাঙ্গা ঝুপরিতেই অর্ধাহারে জীবন কাটছে ৭৫ বয়সী এই বৃদ্ধার। শীর্ণ দেহের এই অসুস্থ বৃদ্ধা বিয়ের ৩-৪ বছর যেতে না যেতেই স্বামী মারা যান। একটি মাত্র পুত্র সন্তানকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে ঝি এর কাজ করে তাকে লালন পালন করেন। অতি কষ্টে এই বিধবা মা তার সন্তানকে বড় করলেও সেই সন্তানকে দিতে পারেন নি শিক্ষার আলো।
ফলে দিন মজুর ছেলে মেটাতে পারেনি তার বেচে থাকার মৌলিক চাহিদা। কোনভাবে বেচে থাকাই যার চাওয়া পাওয়া ছিল আজ সেই বৃদ্ধা জীবনের ক্রান্তিকালে এসে অনাহারে অর্ধাহারে জীবন অতিবাহিত করছে। তার সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি দাড়াতেও পারেন না হাটু ও কোমড়ে ব্যাথার কারণে। জীর্ণ শীর্ণ ভাঙ্গা খরের ঘরেই সারা দিন শুয়ে থাকেন।
একমাত্র ছেলে বাবুল দিন মজুর। সেও ৪ সন্তানের জনক হওয়ায় সকলের ভরণ পোষণ করা তার পক্ষে কষ্টকর বলে জানান বাবুল মিয়ার স্ত্রী। তাই তিনি তার মায়ের চিকিৎসা করাতে পারেন না। আজিরন বেওয়া বিধবা ভাতা কিংবা বয়স্ক ভাতা কার্ড পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান বাবা আমি কখনো এগুলো পাই নাই। আর কত বছর বয়স হলে এই অসহায় নারী পাবে বিধবা ভাতা কিংবা বয়স্ক ভাতার কার্ড জানতে চান তার ছেলের বউ।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড সদস্য জনাব আবুল কালাম ওয়াসিম এর কাছে মোবাইলে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান যে, আমি তাকে চিনি এবং তার দূরবস্থা ও অসহায়ত্ব সম্পর্কে অবগত। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার মাত্র কয়েকমাস হওয়ায় এখনো কোন বয়স্কভাতা কিংবা বিধবা ভাতার বরাদ্দ তিনি পাননি বলে জানান। তবে বরাদ্দ পেলে তাকে তা প্রদান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
Good news
Good