১০ জানুয়ারী, ২০২৬
রইচ উদ্দীন আহম্মেদ,
ছবি: ভাইয়ের হাত ধরে গড়া এক পরিবার
যখন স্বার্থ আর ব্যস্ততার চাপে পারিবারিক বন্ধন ক্রমেই শিথিল হয়ে পড়ছে, তখন নওগাঁর মান্দা উপজেলার নুরুল্লাবাদ ইউনিয়নের মিরপাড়া গ্রামের একটি পরিবার নীরবে গড়ে তুলেছে ভিন্ন এক মানবিক গল্প। এ গল্প ক্ষমতার নয়, সম্পদের নয়—এ গল্প দায়িত্ববোধ, অভিভাবকত্ব ও ভ্রাতৃত্বের।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নওগাঁ জেলা আমীর ও নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের এমপি পদপ্রার্থী খন্দকার আব্দুর রাকিব রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও এলাকায় পরিচিত একজন পিতৃসমতুল্য বড় ভাই হিসেবে। ছয় ভাইয়ের সংসারে বাবার জীবদ্দশাতেই তিনি নির্লোভভাবে পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন এবং ভাইদের আগলে রেখে গড়ে তোলেন পারিবারিক ঐক্যের দৃঢ় ভিত্তি।
পারিবারিক সূত্র জানায়, আব্দুর রাকিব ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে বরাবরই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন পারিবারিক দায়িত্বকে। ভাইদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ ও জীবনের কঠিন সময়ে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো পাশে। বড় ভাই নয়, বরং আশ্রয় ও নির্ভরতার মানুষ হিসেবেই তিনি ভাইদের আগলে রেখেছেন।
আজ ছয় ভাইই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। কর্মসূত্রে তারা ভিন্ন ভিন্ন স্থানে থাকলেও পারিবারিক বন্ধন অটুট। সুযোগ পেলেই একত্রিত হয়ে ভাগ করে নেন জীবনের সুখ-দুঃখ ও সাফল্যের গল্প—যা গড়ে তুলেছে এক মানবিক পারিবারিক সংস্কৃতি।
পরিবারের একজন সদস্য বলেন, আমাদের পরিবারে কেউ একা নয়। এক ভাই ডাক দিলে আরেক ভাই পাশে দাঁড়ায়। এই শিক্ষাই আমাদের বড় ভাই দিয়েছেন।
এই পরিবারের ঐক্য ও শৃঙ্খলার পেছনে বাবার জীবদ্দশায় বড় ভূমিকা রেখেছেন আব্দুর রাকিব। তিনি কখনো বাবার স্থান দখল করেননি, তবে প্রয়োজনে বাবার মতোই দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনীতির মাঠে তিনি একজন প্রার্থী হলেও এলাকার মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং পারিবারিক জীবনে তাঁর প্রমাণিত দায়িত্বশীলতা। অনেকের বিশ্বাস, যিনি নিজের ভাইদের জন্য অভিভাবক হতে পারেন, তিনি মানুষের জন্যও তেমনই হবেন।
এই সাইড স্টোরি কোনো প্রচারণা নয়; এটি ভ্রাতৃত্ব, ত্যাগ ও ভালোবাসার গল্প—যা মনে করিয়ে দেয়, পরিবারই প্রথম রাষ্ট্র, আর বড় ভাই হতে পারেন একটি পরিবারের সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ।
Good news
Good