০৬ নভেম্বর, ২০২৫
ছবি: গুলিবিদ্ধ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, আসন্ন ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন গুলি ছোড়ে।
এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন বলে জানা যায়। গুলিবিদ্ধরা হলেন আবদুল্লাহ সুমন, রাউজান উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল, বাগোয়ান ইউনিয়ন কৃষক দলের উপ-সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম সমন্বয়কারী রুবিউল হোসেন রুবেল, ইউনিয়ন যুবদলের উপ-সভাপতি মো. সোহেল, স্থানীয় বিএনপি কর্মী প্রথমে তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়; পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) স্থানান্তর করা হয়।
তারা পাঁচজনই বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তখন কাউকে পাইনি। বর্তমানে আমরা অভিযানে আছি। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে জানার চেষ্টা করছি। ঘটনায় জড়িতের আটকের চেষ্টা চলছে।’
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, এই হামলা ছিল পূর্বপরিকল্পিত। “একটি পক্ষ আমাদের নেতাকর্মীদের দুর্বল করে দিতে চায়। শান্তিপূর্ণ কার্যক্রমের মধ্যেই তারা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে,” — বলেন রাউজান উপজেলা বিএনপির এক শীর্ষ নেতা।
রাউজান উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে প্রভাব বিস্তার ও নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। গত এক বছরে এ উপজেলায় রাজনৈতিক সহিংসতায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১২ জন বিএনপি নেতাকর্মী।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে রাউজানের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রশাসন বলেছে, হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
Good news
Good