১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
মোঃ শাহরিয়ার,
ছবি: অরক্ষিত নাইক্ষংছড়ি সীমান্ত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তের বড় বড় সিন্ডিকেটগুলো প্রায়শই স্থানীয় দালাল ও বাহকদের ব্যবহার করে এ চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। রাতের আঁধারে সীমান্ত পেরিয়ে এসব মালামাল দেশের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালালেও ভৌগোলিক অবস্থান ও স্থানীয় দালালদের সহায়তার কারণে চোরাচালান পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। সীমান্তে কর্মরত বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদস্যদের অভিযোগ, তাদের সীমিত জনবল ও কঠিন ভৌগোলিক পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে পাচারকারীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করছে।
চোরাচালানের কারণে একদিকে যেমন দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি মাদক ও অস্ত্র পাচারের কারণে সামাজিক অস্থিরতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর দায় চাপালে হবে না—স্থানীয় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমেই এ সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব।
স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন: “নাইক্ষংছড়ি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, স্থানীয় জনগণকেও সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”
Good news
Good