২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
হারুন অর রশিদ,
ছবি: ফাহমিদা আহমেদ ঐশী
ডাক্তার হয়ে গ্রামের চিকিৎসা সুবিধা বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াতে চান ফাহমিদা আহমেদ ঐশী।
শৈসবকাল থেকে অতি মেধাবী ছিলেন ঐশী । জীবনের প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফলে রয়েছে মেধার স্বাক্ষর। প্রতিটি ফলাফলে গোল্ডেন জিপিএ-৫সহ পেয়েছেন ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি। ২০২৪-২০২৫ সালের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায়ও মেধার পরিচয় দিয়েছেন ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের ৪০তম ব্যাচের ফাস্ট গার্ল ফাহমিদা আহমেদ ঐশী। তিনি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার সুযোগের পাশাপাশি জাতীয় মেধায় হয়েছেন ৬৪তম। বাবা কলেজ শিক্ষক ফারুক আহমেদ মা স্কুল শিক্ষিকা রেহেনা পারভীনের কন্যা ঐশী জানান, তার ছোটবেলা কেটেছে মির্জাপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে। গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ার মাধ্যমে শেষ করেন প্রইিমারি শিক্ষা জীবন।
এরপর ভর্তি হন ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজে। ৪০তম ব্যাচে সেখানেও সেরা হওয়ার মুকুট পড়েন ঐশী।
একান্ত আলাপে ফাহমিদা আহমেদ ঐশী জানান, বাবা-মা গ্রামে বাস করার সুবাদে তিনি গ্রামের অসহায় মানুষের দুঃখ কস্ট খুব কাছ থেকে দেখেছেন। টাকার অভাবে অনেক মানুষ চিকিৎসা নিতে না পারাদের সংখ্যা অনেক । ডাক্তার হয়ে এসব মানুষকে বিনা ভিজিটে তিনি স্বাস্থ্য সেবা দিবেন। বাবা ফারুক আহমেদ জানান, ‘মেয়ের কাছে আমাদের চাওয়ার কিছু নাই।
মেয়ে ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি একজন ভাল মানুষ হয়ে যেন দেশের মানুষের সেবা করতে পারে’।
Good news
Good