১৬ Jul, ২০২৬
মোঃ আয়ুব মিয়া,
ছবি: এস. এম. দিদারুলইসলাম সিকদার
সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতেচট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানা পুলিশের ত্রাণকার্যক্রমকে ঘিরে স্থানীয় মহলে নানাপ্রশ্ন ওমিশ্র প্রতিক্রিয়ারসৃষ্টি হয়েছে।বিশেষ করেচন্দনাইশ থানারঅফিসার ইনচার্জএস. এম. দিদারুল ইসলামসিকদারের ভূমিকা, ত্রাণের তহবিলএবং পুরোকার্যক্রমের সমন্বয় নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেকৌতূহল দেখাদিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতেজানা গেছে, সাম্প্রতিক দুর্যোগে থানা পুলিশের ত্রাণবিতরণ কার্যক্রমেস্বচ্ছতার অভাব ছিল বলে অভিযোগউঠেছে। ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুর-৩ ঘটিকায় নিম্নাঞ্চল বাদ দিয়ে উচ্চাঞ্চল দোহাজারী পৌরসভার সদর ২নং ওয়ার্ড বারুদখানা এলাকা বল্লেও প্রকাশ হাসিনা পাড়া ও আজম পাড়া নামক স্থানে ত্রাণ বিতরণ করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। উক্ত এলাকাটি উচ্চাঞ্চল ও বন্যায় আক্রান্ত কম হওয়ায় এলাকাবাসীরমনে প্রশ্নদেখা দিয়েছে—ওসি এস. এম. দিদারুলইসলাম সিকদারকি নিজস্বঅর্থায়নে কোনোত্রাণ বিতরণকার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, নাকি অন্যকোনো ব্যক্তিবা প্রতিষ্ঠানেরত্রাণ নিজেরনামে উপস্থাপন করা হয়েছে। যদি নিজস্বউদ্যোগে ত্রাণবিতরণ করাহয়ে থাকে, তবে কতজনবন্যাদুর্গত মানুষের কাছে এই সহায়তাপৌঁছেছে এবংএ বিষয়েকোনো পূর্ণাঙ্গহিসাব রয়েছেকি না, তা নিয়েওধোঁয়াশা রয়েছে।
পাশাপাশি, ত্রাণ বিতরণকার্যক্রম যথাযথ ভুক্তভোগীদের কাছে পৌঁছেদিতে কারমাধ্যমে এবংকীভাবে সমন্বয়করা হয়েছে, সে বিষয়েওসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনোস্পষ্ট তথ্যপাওয়া যায়নি।
একই সঙ্গে দুর্যোগকালীনসময়ে থানাপুলিশের মাধ্যমেত্রাণ বিতরণেরআইনি ওপ্রশাসনিক ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।বাংলাদেশ পুলিশহেডকোয়ার্টার্স থেকে দুর্যোগকালে জেলা বাথানা পুলিশেরমাধ্যমে সরাসরিত্রাণ বিতরণেরবিষয়ে কোনোলিখিত নির্দেশনা, সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা পরিপত্র রয়েছেকি না, তা নিয়েওআলোচনা চলছে।সাধারণত বাংলাদেশপুলিশ হেডকোয়ার্টার্সেরওয়েবসাইটে বিভিন্ন নির্দেশিকা ও পরিপত্রপ্রকাশ করাহলেও, ত্রাণবিতরণসংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা সেখানেপাওয়া যায়নিবলে জানা যায়।
এদিকে, ত্রাণ কার্যক্রমেরসঙ্গে সম্পৃক্তদোহাজারীর বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম সুমননামের একব্যক্তির পরিচয়নিয়েও স্থানীয়দেরমধ্যে ব্যাপকগুঞ্জন রয়েছে।তিনি বাংলাদেশপুলিশের কোনপদে কর্মরত, অথবা আদৌপুলিশ বিভাগেরসঙ্গে সম্পৃক্তকি না—এ বিষয়েনির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।চন্দনাইশ থানারওসিসহ বিভিন্নপুলিশ কর্মকর্তারসঙ্গে তাঁরসম্পর্ক এবংসরকারি দায়িত্ববা পদমর্যাদানিশ্চিত নাহওয়ায় পুরোকার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্নআরও জোরালোহয়েছে।
এসব বিষয়ে বক্তব্যজানতে চন্দনাইশথানার ওসিএস. এম. দিদারুল ইসলামসিকদারের সঙ্গেএকাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করাহলেও তাঁরবক্তব্য পাওয়াযায়নি।
সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশপুলিশ হেডকোয়ার্টার্সেরদায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা জানা গেলেচন্দনাইশ থানারত্রাণ কার্যক্রমেরপ্রকৃত চিত্রএবং এবিষয়ে উত্থাপিতপ্রশ্নগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যাবেবলে ধারণা করছে তারা।