০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সাকির আমিন,
ছবি: ছাতকে ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে লাফার্জ সিমেন্ট কারখানায়।কৃষকরা হতাশায়
ছাতকে ফসলি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে লাফার্জ সিমেন্ট কারখানায়। কৃষক ও দিন মজুররা হতাশায়।
সুনামগঞ্জের ছাতক পৌর শহরের টেঙ্গার গাঁও নামক স্থানে ২০০৬ সালে সিমেন্ট উৎপাদন শুরু করে বিশেষায়িত প্রতিষ্টান লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট লিমিটেড।
সিমেন্ট উৎপাদন কারি এ প্রতিষ্টানটি শুরু থেকেই কোন আইন কানুন ও নিয়মের তোয়াক্কা করছেনা।
স্থানীয় কৃষকদের ফসলি জমির মাটি কেটে নেয়া,কারখানার বর্জ্য আবর্জনা ফেলা ও ডাষ্ট উড়িয়ে গাছ বৃক্ষের পরিবেশ নষ্ট করা সহ নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
কারখানা কতৃপক্ষ দুই বছর পর পর কারখানার পাশের এলাকা থেকে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে যেসব শর্তে মাটি কেটে আনার কথা।তার কোনটাই মানছেনা।এতে স্থানীয় কৃষক গণ রয়েছেন হতাশায়।
গত বছররর অক্টোবর মাসের ১৩ তারিখ জেলা প্রশাসকের এক অনুমতি পত্রে বলাহয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অনাবাদি এবং অকৃষি জমি হতে মাটি কারখানায় আনা য়াবে।কিন্তু জেলা প্রশাসকের এ শর্ত না মেনে দুই ফসলি আবাদি জমি হতে মাটি খুঁড়ে আনছে লাফার্জ কতৃপক্ষ।
২০০৬ সালে উৎপাদনের শুরুতে ভারত থেকে মাটি ও চুনাপাথর কাঁচামাল হিসাবে আমদানি করে সিমেন্ট উৎপাদনের কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ২০০৭ সালে ভারতের স্থানীয় সেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলো পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগে আন্দোলন করলে।
ভারত সরকার পরিবেশের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেয় মাটি রপ্তানি। তৎকালিন সময়ে কারখানার উৎপাদন চালু রাখতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের কয়েকটি শর্ত ও অনুরোধে উৎপাদন চালু রাখলেও স্থানীয় কৃষক দের মারাত্মক ক্ষতি করছে কারখানা কতৃপক্ষ। এসব অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করতে স্থানীয় পরিবেশ রক্ষা কারি সংগঠন নাগরিক পরিবেশ ও যুব সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্যাডে নানা সময় লিখিত আবেদনের মাধ্যমে প্রতিবাদ করলেও কোন প্রতিকার মিলছেনা।
এছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে উপজেলা প্রশাসনকে তদারকির দায়িত্ব দিলেও কোন ফল পাচ্ছেন না। স্থানীয় লোকজন। ফসিল জমি হতে ২০ থেকে ৩০ ফুট গর্ত করে মাটি নিচ্ছে কারখানা কতৃপক্ষ। নাগরিক পরিবেশ ও যুব সমাজ কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় ক্ষতি গ্রস্থ আইনুল আহমদ জানান সরকার ও লাফার্জ কতৃপক্ষের কারসাজিতে কাগজে কলমে প্রকৃত কৃষি জমিকে অনাবাদি দেখিয়ে কৃষকের পেটে কুড়াল মেরে মাটি নিয়ে যাচ্ছে লাফার্জে।
জমির শ্রেণি পরিবর্তনের নামে কৃষক দের মধ্যে আর্থিক প্রলুভন দেখিয়ে বেকার করে ফেলেছে কয়েক হাজার কৃষককে।
লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের গণযোগাযোগ কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম জানান ফসলি জমির মাটি ২০ফুট গর্ত করে নেয়ার কথা নয় বিষয়টি যেনে আমি জানাচ্ছি।
Good news
Good