০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
রইচ উদ্দীন আহম্মেদ,
ছবি: বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা - এম এ মতীন
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং মান্দা উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি এম এ মতীন বলেছেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
এজন্য আমরা বাংলাদেশের মানুষ সত্যিই সৌভাগ্যবান।
বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নওগাঁর মান্দায় প্রসাদপু চৌরাস্তার মোড়ে বিএনপি আয়োজিত র্যালিপূর্ব সমাবেশে সভাপতি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতার পর দেশকে পুনর্গঠনে যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা অনস্বীকার্য।
দায়িত্বভার গ্রহণের পর তিনি দেশের সেই তলানী ঝুড়ি থেকে জনগণকে আবার আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দুবেলা দুমুঠো খাবারের সমস্যা সমাধান, গ্রামীণ অর্থনীতির পুনর্গঠন এবং শিক্ষার প্রসার ছিল তার সরকারের অগ্রাধিকার।
মতীন আরও বলেন, আমরা সব সময়ে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে অটল থেকেছি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি নেতাকর্মী ধৈর্য ও সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে লড়াই করেছেন। ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির স্বার্থে ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে দেশের উন্নয়নের দিশা দেখিয়েছিলেন। তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, আজও আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, বাংলাদেশের মানুষ তার নেতৃত্বে সৌভাগ্যবান হয়েছে। তার দূরদর্শিতা, সাহস এবং উদ্যম আমাদের জন্য আজও প্রেরণার উৎস। আমরা জিয়াউর রহমানের স্বপ্নকৃত বাংলাদেশ গঠনে প্রতিটি স্তরে অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মান্দা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সামছুল ইসলাম বাদলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মান্দা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মকলেছুর রহমান মকে, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার ইকরামুল বারী টিপু প্রমুখ।
এর আগে উপজেলা বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে কয়াপাড়া কামারকুড়ি হাইস্কুল মাঠ থেকে কেন্দ্রীয় তরুণ নেতা এম এ মতীনের নেতৃত্বে প্রায় ৪ হাজার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দুই কিলোমিটার সড়কে বিজয় র্যালি পালন করা হয়। র্যালি শেষে উপজেলার প্রসাদপুর বাজারে চৌরাস্তার মোড়ে বক্তব্য রাখেন বক্তারা।