২৮ অক্টোবর, ২০২৩
ছবি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন ভোটাধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়া হবেনা। দেশের সর্বত্র স্বৈরচারী শাসন চলছে। আপনারা জানেন , ২০০৮সালে ষড়যন্ত্র করে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ২০১৪ সালে ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাশীল হয়েছিল।২০১৮ সালে নিশিরাতে ভোট দিয়ে তারা নির্বাচিত হয়েছে এবং এবারেও অবৈধভাবে তারা ক্ষমতায় আসার চিন্তা করছে। আজকে বাংলাদেশের জনগণ ঐকবদ্ধ হয়েছে, তাদের ভোটাধিকার আদায় করেই ছাড়বে ইনশাআল্লাহ্। ভোটাধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ ময়দান বাংলার জনগণ ছাড়বে না।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের জানাতে চাই, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে বিদায় না হওয়া পর্যন্ত, নির্বাচনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখবো। রাজপথ আমরা ছাড়বো না, ভোটাধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ আমরা ছাড়বো না।
শত বাধা প্রতিকূলতার মধ্যেও সমাবেশ করতে পারায় তিনি আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করে বলেন, এত প্রতিকূলতার পরেও সংক্ষিপ্ত করে হলেও যে আমরা সমাবেশ করতে পারছি এ জন্য আল্লাহ্ শুকরিয়া। আমরা এ জুলুমবাজ সরকারের পতন না ঘটিয়ে ক্ষান্ত হবো না। তত্ত্বাবধায় সরকার ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।
শনিবার (২৮ অক্টোবর ) মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত আমির এ কথা জানান। বেলা ২টায় মহাগ্রন্থ কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশ শুরু হলেও সময়ের আগেই সমাবেশ স্থলে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়।
গাজায় ইসরাইলের হামলার বিষয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, অভিশপ্ত ইহুদি জাতি কিছু সময়ের জন্য বিজয় লাভ করলেও শিগগিরই তারা চিরতরে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘সৃষ্টি যার হুকুম তার, আল্লাহ শত্রুরা যতই লাফালাফি করুক, তাদের ধ্বংস অনিবার্য’।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে অথিতি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক সংসদ সদস্য এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুর রহমান মুসা, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম।
উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমির মু. আব্দুল জব্বার, খুলনা মহানগরী আমির মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শামিউল হক ফারুকী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, খুলনা মহানগরীর সাবেক আমির আবুল কালাম আযাদ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি লস্কর মোহাম্মদ তসলীম, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি যথাক্রমে দেলওয়ার হোসাইন ও ড. আব্দুল মান্নান, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লা, মাহফুজুর রহমান, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, চট্রগ্রাম মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।