১৬ এপ্রিল, ২০২৬
মোঃ শরিফুল ইসলাম (শরীফ),
ছবি: ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সমস্যায় ধান ও আমচাষীদের একমাত্র "ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন" এ পর্যাপ্ত তেল পাওয়ায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি দেয়ার আহবান। ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের দৃশ্য
ভোলাহাট উপজেলা (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
ভোলাহাটে জ্বালানী তেলের সঙ্কটে দিশেহারা কৃষক! একমাত্র ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত তেল না থাকায় ধান ও আমের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ভেস্তে যেতে বসেছে! ধান ও আমচাষীগণের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি দেয়ার আহবান জানিয়েছেন!!
ভোলাহাটে বর্তমান ভরা ধানের মৌসূম। অর্থকরী ফসল বা ফল আমের পরিচর্যায় জ্বালানী তেলের দরকার। এ দুটি ফসলের লক্ষ্যমাত্রাকে সঠিক রাখতে চাষাবাদের পরিচর্যা লক্ষণীয়। পর্যাপ্ত জ্বালানী তেলের অভাবে ধান ও আম চাষাবাদে ব্যাহত হলে আশানুরূপ ফলনও পাবে না চাষীগণ।
ধান ও আমফলের চাষাবাদ ও ফসলের লক্ষ্যমাত্রায় রাখতে ও পরিচর্যা করতে প্রয়োজন জ্বালানী তেলের। এ জ্বালানী তেল সংগ্রহে লক্ষাধিক চাষীগণ চাতক পাখির মত চেয়ে থাকেন "ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন" এর দিকে। এখানে চাষীদের চাহিদানুপাতে তেল না পাওয়ায় তারা নানা ধরণের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এবং "ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন" টিতে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না হলে চাষীগণ চরম বেকায়দায় পড়বে বলে পরিলক্ষিত হয়েছে।
এ ব্যাপারে "ভোলাহাট ফিলিং স্টেশন" এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, বর্তমানে সপ্তাহে তেল পাচ্ছি ২৬/২৭ হাজার লিটার। উপজেলার চাষীদের চাহিদানুপাতে প্রয়োজন সপ্তাহে ৫০/৫৬ হাজার লিটার। ধানের ভরা মৌসূমে ও আমগাছের পরিচর্যার জন্য জ্বালানী তেলের চাহিদা প্রচুর। তাই ধানচাষী ও বিশেষ করে আমচাষীদের প্রচুর জ্বালানী তেলের চাহিদানুপাতে সপ্তাহে আসা উল্লেখিত তেল পর্যাপ্ত নয়। সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার তেল সরবরাহ দেয়া হলে ধান ও আমচাষীদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
Good news
Good