২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
হোম স্বাস্থ্য সারাদেশ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি ও বাণিজ্য খেলাধুলা বিনোদন আন্তর্জাতিক ধর্ম ও জীবন লাইফ স্টাইল শিক্ষা প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিবেশ চাকরি বা ক্যারিয়ার মতামত আইন-আদালত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশেষ সংবাদ অপরাধ সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্বকাপ ফুটবল
বিশেষ সংবাদ

টাঙ্গাইলে ভুল ওষুধে ১৭ হাজার মুরগি মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসকসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ সাইফুল ইসলাম,
বাসাইল উপজেলা (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

ছবি: মানব বন্ধনের ছবি


টাঙ্গাইলের বাসাইলে অপচিকিৎসা ও প্রতারণার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ১৭ হাজার মুরগি মৃত্যুর ঘটনায় ভেটেনারী ডা. অদ্বৈত বর্মন ও ডা. মেহেদী হাসানসহ জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাসাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে প্রান্তিক খামারি ও গ্রামবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আলমগীর হোসেন, স্থানীয় বদিউজ্জামান বিদ্যুত, মাছুম রানা, আব্দুল খালেক প্রমুখ।

এসময় বক্তারা আলমগীর হোসেনের খামারে ১৭ হাজার মুরগি ক্ষতি সাধনকারী রেনেটা ফার্মা লিমিটেডের ডাক্তার অদ্বৈত বর্মন ও অপসোনিন ফার্মা লিমিটেডের ডা. মেহেদী হাসানসহ জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। দ্রুত ক্ষতিপূরণ না দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থাসহ রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারী দেন তারা।  

খামারির অভিযোগ- প্রায় ২মাস আগে মাংস উৎপাদনের জন্য ৫৫ হাজার মুরগি তোলেন খামারি আলমগীর হোসেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মুরগি বড় করার পরামর্শ নেয়ার পর রেনেটা ফার্মা লিমিটেড (বাসাইল-সখিপুর) এর দাঁয়িত্বে থাকা ডা. অদ্বৈত বর্মন উপস্থিত থেকে কৌশলে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড (বাসাইল-সখিপুর) এর দাঁয়িত্বে থাকা ডা. মেহেদীর মাধ্যমে প্রেসক্রিপশন লিখে দেন। পরে রেনেটা ফার্মা লিমিটেডের ভাউচারে চারটি এন্টিবায়োটিক ওষুধ পাঠানো হয় আলমগীরের খামারে। সেগুলো ১৭ হাজার মুরগির একটি খামারে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে প্রয়োগ করলে রাত ৪টার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার মুরগি মারা যায়। তাৎক্ষণিক খামারি আলমগীর রেনেটা ফার্মা লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও সেলসম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন কিন্তু মুরগির মৃত্যুর খবর শুনে ভয়ে সেখানে যাননি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সেখানে থাকা আরও ৫ হাজার মুরগি মারা যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসকসহ চারজনের বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী খামারি আলমগীর। এছাড়াও উপজেলা ও জেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

Related Article