১৬ অগাস্ট, ২০২৫
কাজল কান্তি দে,
ছবি: যুগবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব জন্মাষ্টমী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণ অষ্টমী তিথিতে মথুরায় কংসের কারাগারে জন্ম নিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। সেই পুণ্য তিথির স্মরণে পালন হয় জন্মাষ্টমী।
সনাতন ধর্ম অনুযায়ী, যখনই পৃথিবীতে অধর্ম বেড়ে গিয়ে ধার্মিক ও সাধারণের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে, তখনই দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মাধ্যমে ধর্মের রক্ষার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অবতাররূপে ধরায় নেমে আসেন।
দিনটিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজাসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মকাহিনী সম্পর্কে জানা যায়, দ্বাপর যুগে অত্যাচারী রাজা কংসের নৃশংসতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল মথুরাবাসী। কংসের হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা শুরু করে তাঁরা। ভক্তের ডাকে সাড়া দেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হযেছে।
আজ ১৬ আগস্ট শহরে শ্রীশ্রীকৃষ্ণানন্দ ধাম মন্দিরে ভোরে মঙ্গল আরতি, নগর কীর্তন, সকাল আট টায় ভগবান কৃষ্ণের বাল্যভোগ, দুপুর বারোটায় শ্রীকৃষ্ণের রাজভোগ, বিকেল তিনটায় গোলদিঘির পাড়ে জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য মহা শোভাযাত্রা ও সমাবেশ, বিকাল ৩ টায় মহা শোভাযাত্রা ও সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন জেলা প্রশাসক মোঃ সালাহ্উদ্দিন, বিশেষ অতিথি থাকবেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন শাহিন ও রাজনৈতিক- ধর্মীয় নেতৃবৃন্দরা।
সন্ধ্যায় সন্ধ্যা আরতি, রাত ১২ টায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পূজা ও ব্রতদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ।
১৭ আগস্ট সকাল আট টায় নন্দোৎসবের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমী উৎসব।
পরিশেষে কক্সবাজার জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সবার সহযোগিতা কামনা করছেন।
ধন্যবাদ 🌸💚
Good news